Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • সর্বশেষ
  • হাইমচরে কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

হাইমচরে কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

হাইমচরে কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

হাইমচর প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের হাইমচরে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক রূপান্তরের লক্ষ্যে দিনব্যাপী ‘ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ ও কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার উপজেলার বাজাপ্তী রমনী মোহন উচ্চবিদ্যালয় মিলনায়তনে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর, পুষ্টি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাস্তবায়িত ‘পার্টনার’ (PARTNER) প্রকল্পের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁদপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দেশের কৃষিকে আধুনিকায়ন এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে পার্টনার প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুষ্টিমান নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাকিল খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কারিগরি দিকনির্দেশনা দেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুল হাসান আলামিন। উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন।

কৃষি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও কৃষকদের উৎসাহিত করতে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আলী আকবর টেলু।

বক্তারা কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে কৃষকদের আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কৃষকদের নিয়ে একটি বিশেষ কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পার্টনার প্রকল্পের তিনটি মূল লক্ষ্য—কৃষি রূপান্তর (সনাতন পদ্ধতি থেকে আধুনিক ও বাণিজ্যিক কৃষিতে উত্তরণ), উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কংগ্রেসে স্থানীয় বিপুলসংখ্যক কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকেরা আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং দেশের কৃষিখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts