স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব আহমেদ জিয়াউর রহমান ২২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার হাইমচর উপজেলার ০৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসকের এ সফরকে ঘিরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
পরিদর্শনের শুরুতেই জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখেন এবং নাগরিক সেবা কার্যক্রম, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ডিজিটাল সেবা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেবার মান বৃদ্ধি, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার সম্প্রসারণে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমিত রায়, ০৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ জসীম উদ্দীন রনি, ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ মালেক হোসাইন, ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক মোঃ সাকিব হোসেন, জাহিদ হাসান এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যগণ।
চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল জেলা প্রশাসককে ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, জনসেবামূলক উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, জেলা প্রশাসকের এ ধরনের মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জনসেবাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনগণমুখী করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।











