স্টাফ রিপোর্টার:
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তে আন্দোলনরত শিক্ষকরা নবউদ্যমে শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি আশাবাদী যে তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে অবদান রাখবেন।
আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় এই আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। বার্তায় জানানো হয়, চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একইসঙ্গে, আগামী বছরের জুলাই মাস থেকে বাড়িভাড়া আরও সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি নিয়ে গত কয়েকদিন ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি যৌক্তিক বলে মনে করে।” তবে তিনি অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “১৫ বছরের সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটে বিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গতিশীল হলেও এখনই মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির মতো সামর্থ্য অর্থনীতিতে ফেরেনি। তাই সরকারকে বাস্তবতার নিরীখে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।”
সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি. আর. আবরারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য প্রধান উপদেষ্টা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।













