মোঃ আক্তার হোসেন
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার চারটি কলেজ থেকে ৪৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ১৬৪ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৩২. ৯৩ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, হাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে ৪২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৪৪ জন। পাসের হার ৩৪.০৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন। কলেজটিতে মোট ৪৪০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিলেন। অর্থাৎ নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেননি।
অন্যদিকে, মোয়াজ্জেম হোসেন কলেজ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ২৫.৬৪ শতাংশ। এ কলেজে নিবন্ধিত ছিলেন ৪১ জন শিক্ষার্থী। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ জন পরীক্ষায় অংশ নেননি
দুর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠানটিতে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিলেন ২৬ জন এর মধ্যে ২৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৮ জন। পাসের হার ৩২ শতাংশ। ।
এদিকে, মালেরহাট যুব সংঘ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে এ কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এখানে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ১২ জন।
সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চারটি কলেজের মধ্যে হাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে পাসের হার সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে, মালেরহাট যুব সংঘ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাসের হার সবচেয়ে কম ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। মোয়াজ্জেম হোসেন কলেজেও পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে।
উপজেলার চারটি কলেজে ৪৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৪ জন উত্তীর্ণ হলেও অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৩৪ জন। পাসের হার ৩২ দশমিক ৯৩ শতাংশ হওয়ায় সামগ্রিকভাবে কলেজগুলোর ফলাফলে দুর্বলতার চিত্র ফুটে উঠেছে। উপজেলার উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মান নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।এই বিপর্যয় চিত্রের পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার কোন বিষয়গুলো ঘাটতি রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তীর্ণ পর্যালোচনা প্রয়োজন।














