স্টাফ রিপোর্টার:
‘স্তন ও জরায়ু-মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিকভাবে শনাক্তকরণ জীবন বাঁচায়’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরে এক মহতী চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের বায়া রুমে (Via Outdoor) বিনামূল্যে স্তন ও জরায়ু-মুখ ক্যান্সারের পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
চাঁদপুর রোটারী ক্লাব এবং গাইনোকোলজিকাল অনকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ (GOSB)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্যক্রমে প্রায় দুই শতাধিক নারী রোগী বিনামূল্যে এই বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ৩ জন নারীর মধ্যে জরায়ু ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ পাওয়া গেছে।
এই জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ঢাকা থেকে আগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের সাথে যুক্ত হন স্থানীয় হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ঢাকা থেকে আগত ডা. সাবেরা খাতুন ও ডা. অন্যন্যা। স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. তাবেন্দা আক্তার (অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার), মেডিকেল অফিসার আঞ্জুমারা পেন্সি, এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার ডা. নুসরাত জাহান।
এই কার্যক্রমটি যৌথভাবে আয়োজন করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, চাঁদপুর, রোটারী ক্লাব অব চাঁদপুর এবং ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সিয়াল কর্মসূচি (BRAC)। সহযোগিতায় ছিলো গাইনোকোলজিকাল অনকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ (GOSB), রোটারী ক্লাব অব ক্যাটারবেরি (UK) এবং ঢাকা সেইফ লাইফ ফাউন্ডেশন।
চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিদর্শনে এবং উৎসাহিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সাহেলা নাজনীন, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবদায়ক ডা. এ কে এম মাহাবুবুর রহমান, সহকারী পরিচালক ডা. আশরাফ আহমেদ চৌধুরী, কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. আসিফ ইকবাল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা ফুল মিয়া সহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, ইনার হুইল ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি খোদেজা বেগম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, এবং রোটার্যাক্ট ক্লাবের সভাপতি আফজাল কাজী সহ অন্যান্য সদস্যরা।
এই সফল আয়োজনে চিকিৎসকদের সহযোগী হিসেবে ১৩ জন নার্স ও শিক্ষার্থী নার্স নিরলসভাবে কাজ করেন। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমে জীবন বাঁচানোর এই মানবিক উদ্যোগটি স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
আরো দেখুন: https://haimcharprotidin.com/













