স্টাফ রিপোর্টার:
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা আনম এহছানুল হক মিলনকে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় তিনি সরকারের কাছে এর সুস্পষ্ট কারণ জানতে চেয়েছেন। শুক্রবার (অক্টোবর ৩১, ২০২৫) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ব্যাখ্যা দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার (অক্টোবর ৩০, ২০২৫) সকালে ব্যাংকক যাওয়ার জন্য হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন বিভাগ তাকে বিদেশ যেতে বাধা দেয়, ফলে তিনি যাত্রা করতে পারেননি।
🚫 ‘কেন আমাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হলো না?’
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে আনম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমি সরকারের কাছে জানতে চাই, কেন আমাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হলো না? এই সরকার মহান ’২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সরকার। আমার দল বিএনপি শুরু থেকেই মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা, সম্মান রয়েছে।”
তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করে বলেন, এই সরকার কোনো সংস্থা বা বিভাগ কারো ভুল তথ্যে বা ষড়যন্ত্রের বিভ্রান্ত হবেন না। তিনি প্রত্যাশা করেন, “আমিত দেশের সকল নাগরিকের সাংবিধানিক ও নাগরিক, মানবিক অধিকার রক্ষায় তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বদা সচেষ্ট আছেন এবং থাকবেন। রাষ্ট্রের প্রয়োজন ও দেশের কল্যাণে সরকারের সাথে সর্বাঙ্গীণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
📜 পুরোনো পাসপোর্টের জটিলতা, ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা
ঘটনার পর অবশ্য এহছানুল হক মিলন গণমাধ্যমকে জানান যে, তাকে ফিরতে হয়েছে পুরোনো পাসপোর্টের কারণে। তিনি বলেন, ‘আমি পুরোনো পাসপোর্ট নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ‘মিলন’ নামটি লেখা নেই। আমার ভুলের কারণে ফিরতে হয়েছে।’
তবে একই সঙ্গে তিনি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, “তবে এর বাইরে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কিনা জানি না।”
বিএনপির এই নেতা গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে বিদেশে যেতে না দেওয়ার ঘটনার স্মৃতিও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।
আরো দেখুন: https://haimcharprotidin.com/













