স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকৃতিতে শীতকাল মানেই উৎসব, পিঠা-পায়েস আর লেপ-কাঁথার উষ্ণ আমেজ। এরই অংশ হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জনপদ কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর, এবং লক্ষ্মীপুরে শীতের আমেজ আরও গাঢ় হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই এই জনপদগুলোতে ভোরের দিকে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করেছে, ফলে তীব্রতাও অনুভূত হচ্ছে বেশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়ছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর), আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই জনপদগুলোর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা
- কুমিল্লা: সকাল ৬টায় এই জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্ন।
- ফেনী: সকালে ফেনীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- লক্ষ্মীপুর (রামগতি): একই সময়ে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- নোয়াখালী: সকালে নোয়াখালীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- চাঁদপুর: সকালে চাঁদপুরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই পাঁচ জেলার গ্রামীণ জনপদে শীতকালীন প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বাজারে ইতোমধ্যে লেপ-কাঁথার চাহিদা বেড়েছে এবং ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েস তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে কুমিল্লা ও নোয়াখালীর গ্রাম অঞ্চলে খেজুরের রস সংগ্রহের তোড়জোড় দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন এই অঞ্চলের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। সকালে এবং রাতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন: https://haimcharprotidin.com/













