স্টাফ রিপোর্টার:
নবম পে স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীদলের উদ্যোগে চাঁদপুর রেলওয়ে বড় স্টেশনে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীদল চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খানের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ মারুফ হোসেন, চাঁদপুর জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি সরকার গোলাম মোস্তফাসহ আরো অনেকে।
এ সময় বক্তারা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে নিজেদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো তুলে ধরেন। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিসমূহ হলো আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ১ জানুয়ারি থেকে নবম পে স্কেল কার্যকর করতে হবে। ১:৫ অনুপাতে গ্রেড বিন্যাস করে গ্রেড সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করতে হবে।
সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৩০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করতে হবে। পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূর্ণ বহাল করতে হবে।
রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং আউটসোর্সিং প্রথা বাতিল করতে হবে। অপারেশনাল কর্মচারীদের জন্য ওভারটাইম, নাইট অ্যালাউন্স, হলি ডে অ্যালাউন্স ও ঝুঁকিবৃত্তা চালু করতে হবে। নিয়োগ বিধি ২০২০ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশোধন করতে হবে। সকল শূন্যপদ পূরণ এবং সকল পদের পদোন্নতি দ্রুত করতে হবে। সকল অস্থায়ী ও প্রকল্প কর্মচারীদের স্থায়ী করতে হবে। ১০০% অনুতোষিক ও গ্র্যাচুইটি ১ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা। শিক্ষা ভাতা ১ সন্তানের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ২ সন্তানের জন্য ৭ হাজার টাকা। টিফিন ভাতা ৩ হাজার টাকা। ধোলাই ভাতা ৭ শত টাকা দিতে হবে।
বক্তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
আরো পড়ুন: www.haimcharprotidin.com













