Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • চাঁদপুর
  • চাঁদপুরে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের তীব্র সংকটের কারনে চরম ঝুঁকিতে রোগীরা

চাঁদপুরে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের তীব্র সংকটের কারনে চরম ঝুঁকিতে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গত দুই মাস ধরে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের (অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছরের ৯ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে সেবা না পেয়ে নিম্নবিত্ত ও অসহায় মানুষদের চড়া মূল্যে ফার্মেসি থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন গড়ে অসংখ্য মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু গত প্রায় ৬০ দিন ধরে স্টকে কোনো ভ্যাকসিন নেই। ফলে জরুরি বিভাগে আসা রোগীদের প্রাথমিক ড্রেসিং দিয়ে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কেনার পরামর্শ দিয়ে বিদায় করছেন চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল চত্বরে দেখা যায়, অনেক গরিব রোগী ভ্যাকসিনের দাম মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। জানা গেছে, বেসরকারি ফার্মেসিতে এক ডোজ ভ্যাকসিনের দাম অনেক বেশি হওয়ায় অনেকেই সম্মিলিতভাবে টাকা জোগাড় করে ভ্যাকসিন কিনছেন। কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, “সরকারি হাসপাতালে ফ্রিতে ইনজেকশন পাওয়ার কথা থাকলেও দুই মাস ধরে ‘নেই’ শুনে ফিরে যেতে হচ্ছে। বাইরের দোকানে দাম অনেক বেশি, যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।”

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহাবুবুর রহমান সংকটের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভ্যাকসিনের চাহিদাপত্র দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো বরাদ্দ মেলেনি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ২০২৫ সালের মধ্যেও নতুন করে কোনো ভ্যাকসিন সরবরাহের সম্ভাবনা নেই।

চিকিৎসকদের মতে, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রাণঘাতী রোগ। কুকুরের কামড়ের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা না গেলে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো অসম্ভব। সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটকে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

ভোরবেলা থেকে হাসপাতালে আসা ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই সংকট নিরসনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় জলাতঙ্কে প্রাণহানির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: https://haimcharprotidin.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts