হাইমচর অফিস:
হাইমচরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং উৎসব চলাকালে সম্ভাব্য সমস্যা মোকাবিলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পূজার দিনগুলোতে যেন সবাই নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ ও উৎসব কমিটির সদস্যরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন।
সভায় উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিবেক লাল মজুমদার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা এবং পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আসন্ন দুর্গোৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম শফিক, থানা পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সমির কুমার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন-উর-রশিদ, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাকিল খন্দকার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সার্জিয়া আফরিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পু, ২নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান পাটওয়ারী, নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনির সিকদার।
এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম কোতয়াল, হাইমচর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মহসিন মিয়া, চাঁদপুর সময় পত্রিকার প্রতিনিধি মো. আলমগীর হোসেন আসিফসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ছয়টি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ ও উৎসব কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সমন্বিত উদ্যোগে দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।












