শরীফ মোঃ মাছুম বিল্লাহ
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক মোঃ আক্তার হোসেন পলাশ মিয়াজির নিজ তহবিল থেকে গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ঢাকা, চাঁদপুর সদর, মদিনা মার্কেট ও হাইমচর উপজেলার চরভাঙ্গা নিজ গ্রামে সর্বমোট সহস্রাধিক পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে নিজ গ্রামে ইফতার বিতরণ করেছেন প্রায় ৩ শতাধিক পরিবারে।
বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সকালে হাইমচর উপজেলার ২০নং উত্তর চরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন মিয়াজি বাড়ি জামে মসজিদ মাঠে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। মাহে রমজান উপলক্ষে হতদরিদ্র, অসহায় ও দিনমজুর পরিবারে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ আক্তার হোসেন পলাশ মিয়াজি। ইফতার সামগ্রীর মধ্যে চাল, ডাল, তেল, ছোলা, খেজুর সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
ইফতার পেয়ে শুকরিয়া জানিয়ে আব্দুল কাদির ঢালী জানান, আমার ৩ মেয়ে ২ ছেলে ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে ৭ সদস্যের পরিবার। এ পরিবারের দৈনিক খাবার চাহিদা পূরণ করতে প্রায় প্রতিদিন-ই হিমসিম খেতে হয়। এরমধ্যেই মাহে রমজান চলে আসছে। কোনোমতে ভালো সাহরি করতে পারলেও ইফতারের একটা টেনশন ছিল। আক্তার হোসেন পলাশ মিয়াজির এ প্রশংসনীয় উদ্যোগে আমাদের সেই টেনশনটা আগামী কমপক্ষে ১০ দিনের জন্য দূর হলো।
সালেহ আহমেদ চৌকিদার বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আক্তার হোসেন পলাশ মিয়াজির পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিবছর রমজান উপলক্ষে তার নির্দিষ্ট তহবিল থেকে এ আয়োজন করেন। অসংখ্য গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়। এবছর তার ইফতারে ২ সহস্রাধিক পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে রমজান কাটাতে পারবে।
ভাই বন্ধু যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিল মিয়াজি জানান, আমাদের এ সমাজের জন্য আক্তার হোসেন পলাশ মিয়াজি আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। যদিও তিনি ঢাকা বসবাস করেন, কিন্তু তার দান অনুদানের হাত সব সময় প্রসারিত করে নিজ গ্রামে পর্যন্ত পৌঁছে দেন। হাইমচরের কয়েকটি এতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিং তার গোপন অনুদানে আল্লাহ চালিয়ে নেন। মসজিদ উন্নয়নে তার রয়েছে অসামান্য অবদান। বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। রমজান, কুরবানী এবং ঈদ সহ বিভিন্ন সময় তিনি সমাজের গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ান। এ সমাজসেবামূলক মনোভাব তাঁকে মানুষের অন্তরে মহান করে তুলেছে।
আরো পড়ুন: https://haimcharprotidin.com/













