Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • অন্যান্য
  • অ্যাজমা বা হাঁপানির প্রধান কারণ ও সতর্কবার্তা

অ্যাজমা বা হাঁপানির প্রধান কারণ ও সতর্কবার্তা

স্বাস্থ্য ডেক্স:

শ্বাসকষ্টজনিত কারণে সৃষ্ট অ্যাজমা বা হাঁপানি মানুষের দেহের এক অসহনীয় ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। আর এই শ্বাসকষ্টের উপদ্রব হয় নানা রকম অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী এলার্জেন-এর কারণে। এলার্জেনগুলোর মধ্যে রয়েছে ধুলোবালি, ফুলের রেণু, মাইটের মল, পোষা প্রাণীর লোম ইত্যাদি। অ্যালার্জিজনিত হাঁপানির একটি প্রধান কারণ হচ্ছে ধুলো।

বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ধুলোবালি, অফিসের খাতাপত্র বা ফাইলে জমে থাকা ধুলো এবং রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলো উড়ছে, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের প্রধান উদ্রেককারী। ধুলোবালি মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

তবে সব ধরনের বা সব জায়গায় ধুলোই যে হাঁপানির জন্য খুব বেশি ক্ষতিকারক তা কিন্তু নয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে বা অফিসে জমে থাকা ধুলো রাস্তার ধুলোর চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক। রাস্তার ধুলোতে থাকে অজৈব পদার্থ, যাতে হাঁপানি, অ্যাজমা, সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্টের তেমন কষ্ট হয় না।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাইটের কারণেই প্রধানত ধুলোবালি অ্যাজমা রোগীদের জন্য বিপজ্জনক। মাইট হলো এক প্রকার অর্থোপড জীব, যা এত ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না। আর্দ্রতাপূর্ণ আবহাওয়া মাইট বড় হওয়া এবং বংশবৃদ্ধির যথোপযুক্ত পরিবেশ। এর মূল বাসস্থান হচ্ছে মানুষের ব্যবহৃত বিছানা, বালিশ এবং কার্পেট।

মাইটের শরীর থেকে নির্গত মল, লালা, রস ধুলার সঙ্গে মিশে মানুষের শ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে, যা কিনা পরে হাঁপানিতে রূপ নেয়। এ কারণে ধুলাজনিত অ্যালার্জির কারণে অ্যাজমা রোগীর পরিমাণ বেশি। গ্রামে তুলনায় শহরের বেশির ভাগ লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

যাদের ধুলোর কারণে শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়, তাদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি সতর্ক থাকতে হবে:

ধুলো এড়িয়ে চলুন: এমন পরিবেশে চলা যাবে না যেখানে ধুলোর পরিমাণ বেশি। মাস্কের ব্যবহার: ঘর পরিষ্কার এবং বিছানাপত্র ঝাড়ু দেওয়ার সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ: মাইট বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পরিবেশ (আর্দ্রতা) যাতে সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ইমিউনোথেরাপি: অ্যালার্জি প্রতিরোধক টিকা বা ইমিউনোথেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি এমন এক ধরনের ওষুধ, যা কিনা দেহের ভিতরে অ্যালার্জির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

আরো দেখুন: https://banglaralo24tv.com/

https://haimcharprotidin.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts